Text size A A A
Color C C C C
পাতা

লাইসেন্স ও নিবন্ধন

লাইসেন্স ও নিবন্ধন

মৎস্য অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন বিধিমালার আওতায় বিভিন্ন প্রকারের লাইসেন্স ও নিবন্ধন প্রদান করা হয়। বিভিন্ন বিধিমালার
আওতায় প্রদত্ত লাইসেন্স ও নিবন্ধনের তালিকা নিম্মে দেয়া হলো –

মৎস্য খাদ্য বিধিমালা , ২০১১
১। মৎস্যখাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণন সংক্রান্ত লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
২। মৎস্যখাদ্য উপকরণ আমদানি ও রপ্তানি সংক্রান্ত লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
৩। মৎস্যখাদ্য পাইকারী বিক্রয় সংক্রান্ত লাইসেন্স (ক্যাটাগরি৩ক)
৪। মৎস্যখাদ্য খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত লাইসেন্স (ক্যাটাগরি৩খ)
মৎস্য হ্যাচারি বিধিমালা, ২০১১
১। কার্প মাছের রেণু উৎপাদন হ্যাচারি লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
২। গলদা ও বাগদা চিংড়ি পিএল উৎপাদন হ্যাচারি লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
৩। দেশীয় অন্যান্য মাছের হ্যাচারি ( , ক্যাটফিস, স্নেকহেড) লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
৪। মনোসেক্স তেলাপিয়ার হ্যাচারি লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
৫। বাহারী মাছের হ্যাচারি লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
৬। মাছ ব্যতীত অন্যান্য জলজ প্রাণির হ্যাচারি লাইসেন্স (ক্যাটাগরি)
মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ ) বিধিমালা, ১৯৯৭
১। ভূমিতে অবস্থিত মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার লাইসেন্স
২। জলযানে অবস্থিত মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার লাইসেন্স
৩। কিউরড মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার লাইসেন্স
৪। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, সার্ভিস সেন্টারের লাইসেন্স
৫। রপ্তানিতব্য মৎস্যের আড়ৎ, সরবরাহকারীর লাইসেন্স
৬। বরফ কলের লাইসেন্স
৭। হিমাগারের লাইসেন্স
৮। প্যাকিং সেন্টারের লাইসেন্স
৯। ঘেরের লাইসেন্স
১০। বায়িং এজেন্টের লাইসেন্স
১১। মৎস্য রপ্তানিকারকের লাইসেন্স
সামুদ্রিক মৎস্য বিধিমালা,১৯৮৩
ফিসিং ভেসেল লাইসেন্স

 

লাইসেন্স প্রদানের উদ্দেশ্য
মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিধিমালা ও আইনের আওতায় বিধি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা যাতে জন স্বার্থে বিধি বিধান যথাযথ ভাবে অনুসরণ করে পরিচালিত হয় সে লক্ষ্যে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের শর্তাবলী অনুসরণ করে পরিচালিত হলে জনস্বার্থ রক্ষিত হয়। তাই লাইসেন্স বিহীন উক্ত প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা পরিচালনা করা আইন ও বিধি অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ।

 

লাইসেন্স পাওয়ার জন্য করণীয়
যে বিধিমালার আওতায় লাইসেন্স প্রদান করা হবে , সেই বিধিতে স্থাপনা সংশ্লিষ্ট আবেদনের নির্দিষ্ট ফরম রয়েছে। উক্ত নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে।

পূরণকৃত আবেদন ফর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধিতে বর্ণিত কিছু ডকুমেন্ট সত্যায়িত করে সংযুক্ত করে দিতে হয়। প্রদত্ত ডকুমেন্ট সমূহ হালনাগাদ থাকতে হবে। আবেদন কারীর নাম ঠিকানা প্রদত্ত সকল ডকুমেন্টে অভিন্ন থাকতে হবে। ঠিকানার সাথে মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। ঠিকানা সত্যায়নের জন্য জাতীয় পরিচয় পত্রের সত্যায়িত কপি দিতে হবে।
 

কোথায় আবেদন দাখিল করতে হবে
যে উপজেলায় স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত সেই উপজেলার উপজেলা মৎস্য দপ্তরে লাইসেন্সের আবেদন দাখিল করতে হবে। জেলা সদরে বা মহানগরে অবস্থিত স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জেলা মৎস্য দপ্তরে আবেদন দাখিল করতে হবে।

সরেজমিন পরিদর্শন ও মূল্যায়ন
লাইসেন্সের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাইসেন্সিং কতৃপক্ষ স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করবেন। স্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিধির নির্দিষ্ট তফসিলে লাইসেন্স পাওয়ার শর্তাবলী বর্ণিত রয়েছে।

আবেদনের বিষয়ে সিদ্বান্ত
দাখিলকৃত আবেদনের তথ্যাদি এবং সরেজমিন পরিদর্শন ও মূল্যায়নে স্থাপনাটি লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত না হলে যে সকল শর্তাবলী পূরণ করতে হবে তার বিবরণসহ আবেদনকারীকে লিখিত ভাবে জানানো হয়। আর পরিদর্শন ও মূল্যায়নে লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হলে প্রয়েজনীয় ফি পরিশোধ করতে বলা হয়।

ফি সমূহ কিভাবে পরিশোধ করবেন
সকল বিধিমালার আওতায় লাইসেন্সের জন্য আবেদন ফি , লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফি টি আর চালানের মাধ্যমে ১৪৪৩১০০০০১৮৫৪ এই কোডে ব্যাংকে জমা দিতে হয়। উক্ত প্রদত্ত ফি সমূহের ১৫% ভ্যাট হিসাবে ১১১৩৩০০৪০০৩১১ এই কোডে আলাদা টি আর চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিতে হয়। পরিশোধিত ফিএর টি আর চালান এবং ভ্যাটের টি আর চালান আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করে দাখিল করতে হয়। প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। লাইসেন্সের মেয়াদ হয় এক বছর। 

লাইসেন্স নবায়নের জন্য করণীয়
লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার অনূর্ধ ৩০ দিন পূর্বে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিকট লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করতে হয় ।স্থাপনা সংশ্লিষ্ট নবায়ন ফি এবং নবায়ন ফি এর ১৫% ভ্যাট হিসাবে আলাদা টি আর চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিয়ে মূল লাইসেন্সের সাথে উক্ত দুটো টি আর চালান সংযুক্ত করে লাইসেন্স নবায়নের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হয়।লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থাপনাটি লাইসেন্সের শর্তাবলী অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা বাৎসরিক পরিদর্শন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে যাচাই করবেন। মূল্যায়নে যোগ্য বিবেচিত হলে লাইসেন্সটি এক বছরের জন্য নবায়ন করবেন।

পরিদর্শন রেজিস্টার
লাইসেন্স প্রদানের পর লাইসেন্সধারী লাইসেন্সের শর্তাবলী অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে কিনা তা দেখার জন্য রুটিন পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে কোন ত্রুটি পাওয়া গেলে তা লাইসেন্সধারীর নিকট রক্ষিত পরিদর্শন রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়। ত্রুটি নিরসনের জন্য পরামর্শ দেয়া হয় এবং নির্দিষ্ট কাল সময় দিয়ে ত্রুটি নিরসনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পরবর্তী পরিদর্শনে তা দেখা হয় এবং প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ রেজিস্টারে লেখা হয়। এভাবে ক্রমাগতঃ পরিদর্শন, পরামর্শ ও প্রয়োজনে জরিমানা করার মাধ্যমে লাইসেন্সধারীকে লাইসেন্সের শর্তাবলী অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনায় বাধ্য করা হয়।

ছবি


সংযুক্তি